আবার ছোটপর্দায় ফিরছেন সৃজলা গুহ। যদিও নতুন কোনও ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে নয়, তাঁকে দেখা যাবে বিশেষ অতিথি রূপে । সান বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ভালোবাসার রঙ রুট-এর আসন্ন বিশেষ পর্বে অতিথি শিল্পী হিসেবে যোগ দিচ্ছেন অভিনেত্রী। ইতিমধ্যেই এই বিশেষ ট্র্যাক ঘিরে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, গরমের ছুটিতে পিকনিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে মল্লিক ও সাহা পরিবার। রেহান এবং রূপাইয়ের উদ্যোগে গোটা আয়োজন জমে ওঠে। তবে এবারের পিকনিক অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশি জমজমাট , কারণ রেহানের জ্যাঠামশাই প্রথমবার রূপাইয়ের পরিবারের সদস্যদেরও তাঁদের সঙ্গে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দুই পরিবারের একসঙ্গে সময় কাটানোর কথা শুনে খুশি হলেও বিষয়টা একেবারেই ভালোভাবে নেয় না মানসী ও মিশকা। রূপাইয়ের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারকে নিয়ে শুরু হয় তাদের কটাক্ষ, অপমান এবং অশান্তি।
এর মধ্যেই নতুন বিপত্তি। পিকনিকে যাওয়ার জন্য যে গাড়িটি বুক করা হয়েছিল, তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়। সবাই যখন দিশেহারা, তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসে রূপাই। সে নিজেই বাস চালিয়ে সবাইকে পিকনিক স্পটে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নেয়। রূপাইয়ের আত্মবিশ্বাস আর উপস্থিত বুদ্ধিতে শেষ পর্যন্ত আনন্দ-হইহই করতে করতেই গন্তব্যে পৌঁছে যায় দুই পরিবার।
পিকনিকের আসরে শুরুতে ছিল শুধুই আনন্দের আবহ। খাওয়া-দাওয়া, গান, আড্ডা আর নাচে জমে ওঠে অনুষ্ঠান। গায়িকা অঙ্কিতা ভট্টাচার্য-র গানের পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ সৃজলা গুহ র নাচ । তাঁর নাচ ঘিরে তৈরি হবে আলাদা উন্মাদনা। কিন্তু আনন্দের আবহের আড়ালেই চলতে থাকে ভয়ঙ্কর চক্রান্ত। রূপাইকে রেহানের জীবন থেকে সরিয়ে দিতে মানসী, মিশকা এবং রেহানের সহকর্মী ডক্টর মধুমিতা একসঙ্গে পরিকল্পনা করে। এমনকি রূপাইকে মারাত্মক ইঞ্জেকশন দেওয়ার ছকও কষা হয়, যাতে মধুমিতার জন্য রাস্তা একেবারে পরিষ্কার হয়ে যায়।
এখন প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত রেহান কি পারবে রূপাইকে বাঁচাতে? নাকি নতুন চক্রান্তে বদলে যাবে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ? সেই উত্তর মিলবে ‘ভালোবাসার রঙ রুট’-এর এই বিশেষ পর্বে। আগামী ১৮ থেকে ২২ মে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সম্প্রচারিত হবে এই বিশেষ ট্র্যাক।
ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, গরমের ছুটিতে পিকনিকে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে মল্লিক ও সাহা পরিবার। রেহান এবং রূপাইয়ের উদ্যোগে গোটা আয়োজন জমে ওঠে। তবে এবারের পিকনিক অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশি জমজমাট , কারণ রেহানের জ্যাঠামশাই প্রথমবার রূপাইয়ের পরিবারের সদস্যদেরও তাঁদের সঙ্গে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। দুই পরিবারের একসঙ্গে সময় কাটানোর কথা শুনে খুশি হলেও বিষয়টা একেবারেই ভালোভাবে নেয় না মানসী ও মিশকা। রূপাইয়ের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারকে নিয়ে শুরু হয় তাদের কটাক্ষ, অপমান এবং অশান্তি।
এর মধ্যেই নতুন বিপত্তি। পিকনিকে যাওয়ার জন্য যে গাড়িটি বুক করা হয়েছিল, তা শেষ মুহূর্তে বাতিল হয়ে যায়। সবাই যখন দিশেহারা, তখন পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসে রূপাই। সে নিজেই বাস চালিয়ে সবাইকে পিকনিক স্পটে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নেয়। রূপাইয়ের আত্মবিশ্বাস আর উপস্থিত বুদ্ধিতে শেষ পর্যন্ত আনন্দ-হইহই করতে করতেই গন্তব্যে পৌঁছে যায় দুই পরিবার।
পিকনিকের আসরে শুরুতে ছিল শুধুই আনন্দের আবহ। খাওয়া-দাওয়া, গান, আড্ডা আর নাচে জমে ওঠে অনুষ্ঠান। গায়িকা অঙ্কিতা ভট্টাচার্য-র গানের পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ সৃজলা গুহ র নাচ । তাঁর নাচ ঘিরে তৈরি হবে আলাদা উন্মাদনা। কিন্তু আনন্দের আবহের আড়ালেই চলতে থাকে ভয়ঙ্কর চক্রান্ত। রূপাইকে রেহানের জীবন থেকে সরিয়ে দিতে মানসী, মিশকা এবং রেহানের সহকর্মী ডক্টর মধুমিতা একসঙ্গে পরিকল্পনা করে। এমনকি রূপাইকে মারাত্মক ইঞ্জেকশন দেওয়ার ছকও কষা হয়, যাতে মধুমিতার জন্য রাস্তা একেবারে পরিষ্কার হয়ে যায়।
এখন প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত রেহান কি পারবে রূপাইকে বাঁচাতে? নাকি নতুন চক্রান্তে বদলে যাবে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ? সেই উত্তর মিলবে ‘ভালোবাসার রঙ রুট’-এর এই বিশেষ পর্বে। আগামী ১৮ থেকে ২২ মে, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সম্প্রচারিত হবে এই বিশেষ ট্র্যাক।
তামান্না হাবিব নিশু